সবাই বলেন, খাবার শুরু হলে ডাকা হবে। ডাকা হয়। আর যাঁরা সেই ডাক শুনে ওঠেন, তাঁরাই সবচেয়ে দেরিতে খেতে বসেন।
একটি নির্দেশিকায় বিষয়টি ধাপে ধাপে বলা হয়েছে। নির্দেশিকাটি তৈরি করেছেন এমন একজন, যিনি গত বছর একুশটি বিয়েতে গিয়েছিলেন।
যা করতে বলা হয়েছে
- ঘোষণা শুনে উঠবেন না। ঘোষণা দেওয়া হয় রান্না শেষ হওয়ার আগে।
- প্রথম যে দলটি উঠে যায়, তাদের পিছু নেবেন না। তারা পরিবারের লোক, তাদের টেবিল আলাদা।
- খাবারের ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকবেন না। দাঁড়িয়ে থাকলে চেয়ার পাওয়া যায় না, লাইন পাওয়া যায়।
- বসার পর প্লেট সরাবেন না। সরালে ধরে নেওয়া হয় আপনি শেষ করেছেন।
- সালাদ আগে নেবেন না।
নির্দেশিকায় সময়ের একটি হিসাবও আছে, যেখানে ঘোষণার পর কে কখন বসতে পারেন তা দেখানো হয়েছে।
| কারা | কত মিনিট পর |
|---|---|
| ঘোষণা শুনে ওঠা অতিথি | ৫২ |
| যাঁরা বসে ছিলেন | ২৬ |
| পরিবারের লোক | ৯ |
| যিনি রান্নাঘরের দিকটা চেনেন | ৪ |
তালিকাটি নিয়ে আপত্তি উঠেছে। কয়েকজন বলেছেন, শেষ সারিটি অন্যায্য, কারণ রান্নাঘরের দিক চেনা কোনো যোগ্যতা নয়।
যোগ্যতা না। কিন্তু আমি খেয়ে বাড়ি চলে গেছি, তখনো তাঁরা ঘোষণা শুনছিলেন।
— নির্দেশিকাটির লেখক
