পরীক্ষার তারিখ দুই সপ্তাহ পিছিয়ে যাওয়ার খবরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে স্বস্তি দেখা দিলেও, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেই স্বস্তি রূপ নিয়েছে আরও গভীর উদ্বেগে।

আগে চাপ ছিল ১৫ দিনের। এখন চাপ ২৯ দিনের। অঙ্কটা সহজ।

দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী

অভিভাবকদের একটি অংশ অবশ্য সন্তুষ্ট। তারা মনে করছেন, বাড়তি সময়ে সন্তানেরা সিলেবাস শেষ করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, বাড়তি সময়ে একটি নতুন রুটিন বানানো যাবে, যা রঙিন কলমে লেখা হবে এবং কখনো অনুসরণ করা হবে না।

একটি বেসরকারি জরিপে দেখা গেছে, সময় বাড়ানোর পর শিক্ষার্থীদের ঘুমের সময় বেড়েছে ২ ঘণ্টা, পড়ার সময় বেড়েছে ০ ঘণ্টা, এবং রুটিন বানানোর সময় বেড়েছে ৪ ঘণ্টা।