ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলার পর তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি স্থানীয় জনগণ।

কারণ, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাই কিছুক্ষণ পর টাকা কুড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

প্রথমে

স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এক ছিনতাইকারীকে আটক করেন।

এরপর

ঘটনাস্থলে তাকে ঘিরে উত্তম-মধ্যম দেওয়া শুরু হয়।

কিছুক্ষণ পর

ছিনতাইকারী পকেট থেকে ৫০ হাজার টাকার বান্ডিল বের করেন।

তারপর

বান্ডিলটি উপরে ছুড়ে দেওয়া হলে উপস্থিতদের মনোযোগ টাকার দিকে যায়।

শেষে

টাকা কুড়ানো শেষ হওয়ার আগেই ছিনতাইকারী সরে যান।

লোকটাকে আমরা খুব ভালোভাবেই ঘিরে রেখেছিলাম। টাকা পড়ার পর একটু জায়গা খালি হয়েছিল।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী, যিনি পরে মাটির নিচেও টাকা খুঁজেছেন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টাকা ছোড়ার পর পরিস্থিতিতে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি। বরং সবাই খুব নির্দিষ্ট একটি কাজে মনোযোগী হয়ে পড়েন।

ঘটনার সময় মনোযোগের অবস্থান
সময়মনোযোগ
ছিনতাইকারী ধরাছিনতাইকারী
উত্তম-মধ্যমছিনতাইকারী
টাকা ছোড়াটাকা
টাকা কুড়ানোমাটির বিভিন্ন জায়গা
টাকা কুড়ানো শেষছিনতাইকারী কোথায়
ঘটনার সময় মনোযোগের অবস্থান

স্থানীয় এক দোকানি বলেন, টাকা কুড়ানোর সময় সবাই এত মনোযোগী ছিলেন যে পাশ দিয়ে মানুষ গেলেও কেউ তাকাননি।

৫০ হাজার

ছোড়া টাকার পরিমাণ

কয়েক সেকেন্ড

অগ্রাধিকার বদলাতে সময়

১ জন

ছিনতাইকারী, যিনি সরে যেতে পেরেছেন

সূত্র: ঘটনাস্থলের একটি হিসাব, যেটি আমরা করিনি।

ঘটনার পর উপস্থিত কয়েকজন নাগরিক জানান, তারা মূলত ছিনতাইকারীকে আটক করতেই সেখানে ছিলেন। টাকা কুড়ানোর বিষয়টি পরিস্থিতির অংশ হিসেবে এসেছে।

আমরা টাকা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আগে টাকা তুলেছি, সিদ্ধান্ত পরে হবে।

একজন স্থানীয় নাগরিক, যাঁর হাতে তখন চারটি নোট ছিল

তবে ছিনতাইকারী চলে যাওয়ার পরও ঘটনাস্থলে একটি বিষয় নিয়ে ব্যস্ততা দেখা যায়। মাটিতে পড়ে থাকা শেষ নোটটি কার, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছিল।