বাসায় বেড়াতে আসা অতিথিরা প্রথমবার “উঠি” বলার পর গড়ে ৪০ মিনিট বসে থাকেন বলে জানা গেছে। বাক্যটি উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের কেউ নড়েন না, কারণ সবাই জানেন—এখনো সময় হয়নি।

৮:৪০

প্রথমবার “উঠি” বলা হলো। কেউ সাড়া দিল না।

৮:৪৭

চায়ের কাপ আবার ভরে গেল। কেউ চায়নি।

৯:০৫

দ্বিতীয়বার “উঠি”। এবার সত্যিই দাঁড়ানো হলো।

৯:১২

দাঁড়ানো অবস্থাতেই নতুন একটি প্রসঙ্গ উঠল।

৯:২৬

দরজা খোলা হলো। সবচেয়ে জরুরি কথাটি এখানে শুরু।

গৃহকর্তারা বলছেন, অতিথি প্রথমবারেই উঠে গেলে সেটি বরং দুশ্চিন্তার বিষয়। “কিছু একটা হয়েছে” ধরে নিয়ে পরদিন ফোন করা হয়।

উঠি বললে যদি সত্যিই উঠে যায়, তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্কটা আগের মতো নেই।

একজন গৃহকর্ত্রী, যাঁর বাসায় সন্ধ্যা ছয়টার অতিথি রাত দশটায় বিদায় নেন
যা বলা হয়
যা বোঝায়
“উঠি তাহলে”
আরও আধা ঘণ্টা আছি
“আচ্ছা তাহলে”
নতুন প্রসঙ্গ মনে পড়েছে
“না না, আর চা লাগবে না”
এক কাপ হলে মন্দ হয় না
“দেরি হয়ে যাচ্ছে”
কেউ যেন বলে—আরেকটু বসেন

একজন অতিথি জানান, তিনি বিদায় নেওয়ার সময়টা আগেই ঠিক করে বের হন। “ঠিক করি নয়টায় উঠব। তাই আটটা থেকে উঠি বলা শুরু করি।”

সবচেয়ে দীর্ঘ বিদায়পর্বটি রেকর্ড করা হয়েছে গেটের সামনে, যেখানে দুই পক্ষ দাঁড়িয়ে থেকে আরও একটি সম্পূর্ণ আড্ডা শেষ করেন। রিকশা ডাকা হয়েছিল শুরুতেই। রিকশাচালক চলে গেছেন।