খেলা চলাকালে ঘরের কে কোথায় বসে ছিলেন, তা লিখে রাখা শুরু করেছে রাজধানীর একাধিক পরিবার। উদ্দেশ্য পরিষ্কার—পরের ম্যাচে যেন কেউ ভুল জায়গায় না বসে।
তালিকাটি শুরু হয়েছিল ঠাট্টা হিসেবে। তৃতীয় উইকেট পড়ার পর সেটি আর ঠাট্টা থাকেনি।
পরিবারটির বড় ছেলে জানান, প্রমাণ জোরালো। “বাবা যতবার উঠেছেন, ততবারই কিছু না কিছু হয়েছে। এটা আর কাকতালীয় বলা যায় না।”
আমি নড়িনি। দেড় ঘণ্টা এক জায়গায় বসে আছি। পিঠে ব্যথা হচ্ছে, কিন্তু দল জিতছে।
— একজন দর্শক, যিনি ইনিংস বিরতিতেও ওঠেননি
যা যা আপাতত বন্ধ
- ওভারের মাঝখানে উঠে দাঁড়ানো।
- “এবার মনে হয় জিতেই যাব” জাতীয় বাক্য।
- স্কোর দেখে হিসাব করা—কত বলে কত লাগবে।
- রিমোট হাতবদল, বিশেষ করে বোলিংয়ের সময়।
৭৩%
৪
০
যাঁকে ড্রয়িংরুমে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে, তিনি বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। তবে পাশের ঘর থেকে খেলা শোনার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।
আমাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। আমি না উঠলে কি ওরা রান করত?
— অভিযুক্ত ব্যক্তি
পরিবারটি জানিয়েছে, পরের ম্যাচের আগে বসার একটি চূড়ান্ত নকশা তৈরি করা হবে। কে কোথায় বসবেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে।
