৯১ শতাংশ ক্ষেত্রে দরদাম শেষে যে দামে জিনিসটি বিক্রি হয়, দোকানি সেই দামটিই মনে মনে ঠিক করে রেখেছিলেন কথা শুরুর আগে।

জরিপটি হয়েছে রাজধানীর চারটি কাঁচাবাজারে, সকাল সাতটা থেকে দশটার মধ্যে। গবেষকরা কথোপকথন রেকর্ড করেননি। তাঁরা শুধু গুনেছেন, দাম কতবার বলা হলো।

৯১%

শেষ দাম আগেই ঠিক ছিল

৪.৩

গড়ে যতবার দাম বলা হয়

৮৭%

ক্রেতা মনে করেন তিনি জিতেছেন

সূত্র: একটি জরিপ, যেটি আমরা করিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দামটি সবসময় বেশি বলা হয়, এবং দুই পক্ষই তা জানেন। তবু কেউ ধাপটি বাদ দেন না। এক গবেষক লিখেছেন, ধাপটি বাদ দিলে লেনদেনটি অসম্পূর্ণ মনে হয়।

ক্রেতা যদি প্রথম দামেই রাজি হয়ে যান, আমার সারাদিনটা ভালো যায় না। মনে হয় কম বলে ফেলেছি।

একজন দোকানি, যাঁর ড্রয়ারে খুচরা ছিল

ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা উল্টো। জরিপে অংশ নেওয়া একজন জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন একই দোকান থেকে একই দামে একই জিনিস কেনেন, এবং প্রতিদিনই দরদাম করেন।

যেখানে নিয়মটি ভাঙে

একটি ব্যতিক্রম পাওয়া গেছে। মাছের বাজারে দাম বলার সংখ্যা গড়ে ৬.১, এবং সেখানে দোকানিরাও নিশ্চিত ছিলেন না শেষ দামটি কত হবে।

তবে গবেষকরা মাছের বাজারের তথ্য বাদ দিয়েছেন। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সেখানে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা যায়নি।