কাজটা ছিল ছোট। অতিথি এসেছেন, ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ডটা বলে দিতে হবে। ঘরে চারজন ছিলেন। চারজনই জানতেন পাসওয়ার্ডটা আছে।
০৮:১২
অতিথি পাসওয়ার্ড চান। ঘরের ছোট ছেলেকে ডাকা হয়।
০৮:১৪
ছোট ছেলে জানান, আগেরটা বদলানো হয়েছে।
০৮:১৭
ড্রয়ার থেকে একটি কাগজ বের হয়। কাগজে ইন্টারনেট বিলের হিসাব।
০৮:২৩
বাসার একজন লাইনম্যানকে ফোন করেন। তিনি ধরেননি।
০৮:২৯
অতিথি বলেন, থাক, মোবাইল ডেটা আছে।
০৮:৩১
অতিথির কথা কেউ শোনেননি।
১৯ মিনিটের মাথায় অতিথি নিজেই উঠে রাউটারের কাছে যান। যন্ত্রটির গায়ে সাদা স্টিকারে পাসওয়ার্ডটি লেখা ছিল। হরফগুলো বড়।
ওই স্টিকারটা আমরা রোজ দেখি। দেখি বলেই খেয়াল করি না।
— ঘরের একজন সদস্য, যিনি রাউটারের সবচেয়ে কাছে বসেছিলেন
অতিথি পাসওয়ার্ড দিয়ে সংযোগ নেন। প্রথমবারে হয়নি। স্টিকারে একটি অক্ষর বড় হাতের ছিল, সেটি বোঝা যাচ্ছিল না।
তবে ঘরের কেউ এখন আর খোঁজেন না। স্টিকারটির একটি ছবি তুলে পরিবারের গ্রুপে দেওয়া হয়েছে, আর সেই ছবিটি খুঁজে বের করতে এখন গড়ে ৭ মিনিট লাগে।

