জীবনে বেশি কাজ করার ইচ্ছা ছিল না তার। অল্প পরিশ্রমে মিলিয়নিয়ার হওয়াই ছিল প্রধান লক্ষ্য।
তিন বছর আগে বিদেশে আসার পর সেই লক্ষ্যেই একটি পরিকল্পনা করেন তিনি। চাকরি বা ব্যবসার বদলে বিদেশি নারীকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।
বিদেশি মহিলা বিয়ে করলেই জীবন সেটেল। পাসপোর্ট হবে, বসে বসে খাওয়া যাবে, শেষে সম্পত্তিও পাওয়া যাবে।
— এক প্রবাসী, যিনি এখন পরিকল্পনার সময়কাল নিয়ে চিন্তিত
পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিজের প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন তিনি। মুখে ফেসওয়াশ, চুলে জেল, মাথায় টুপি। হাতে থাকত একটি গোলাপ।
অনেক নারী তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেও বিয়ের প্রস্তাব আসেনি। তিন বছর ধরে অপেক্ষার পরও পরিস্থিতি একই রয়েছে।
বর্তমানে তার বয়স ৪৫ বছর। চলতি বছরের মধ্যে বিয়ে হলেও সম্পত্তির জন্য আরও প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর অপেক্ষা করতে হতে পারে।
৪৫
২০-২৫
৬৫-৭০
৬৫ বছর বয়সে মিলিয়নিয়ার হয়ে কী করব, সেটাই এখন বুঝতেছি না।
— প্রবাসী ব্যক্তিটি, বয়সের সঙ্গে সম্পদের হিসাব মিলিয়ে
এখন তার পরামর্শ, যারা একই পরিকল্পনা নিয়ে বিদেশে যেতে চান তারা ২৫ বছর বয়সের মধ্যে চলে যাবেন। এতে সম্পত্তির অপেক্ষার সময় শেষ হওয়ার পরও কিছুটা সময় হাতে থাকবে।
বিদেশি নারীকে আকর্ষণ করতে তিনি যে সাজসজ্জা শুরু করেছিলেন, সেটিও আপাতত চালু আছে। তবে গোলাপের ফুল এখন সপ্তাহে একবার কেনেন।
কারণ নিয়মিত গোলাপ কিনলে মিলিয়নিয়ার হওয়ার আগেই বাজেট শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

