দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে ঘোষণা এসেছে—সপ্তাহে তিন দিন অফিস, বাকি চার দিন “মানসিক সুস্থতা দিবস”। ঘোষণাটি কে দিয়েছেন, কোথায় দিয়েছেন, কিংবা আদৌ দিয়েছেন কি না—এসব প্রশ্ন এখন অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী রফিকুল ইসলাম জানান, খবরটি পাওয়ার পর তিনি প্রথমে বিশ্বাস করেননি। “আমি তিনবার স্ক্রিনশট জুম করে দেখেছি। তারপর গ্রুপে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন সেটা আর ভুয়া থাকার কথা না।”

প্রতিক্রিয়া

আমরা লক্ষ্য করেছি, দেশের নাগরিকরা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত চিন্তা করছেন। চিন্তা কমাতে হলে সময় দিতে হবে।

একজন কর্মকর্তা, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এবং সম্ভবত অস্তিত্বহীন

তবে সবাই খুশি নন। বেশ কয়েকজন কর্মী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, চার দিন ছুটি পেলে আত্মীয়স্বজন বাসায় আসা শুরু করবেন। “তখন মানসিক সুস্থতা কোথায় থাকবে, সেটাও তো ভাবতে হবে,” বলেন একজন।

যেসব প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত

  • তিন দিন অফিস মানে কোন তিন দিন—এ নিয়ে এখনো ঐকমত্য হয়নি।
  • মানসিক সুস্থতা দিবসে কেউ ফোন দিলে ধরতে হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
  • যাদের অফিসে এমনিতেই কাজ হয় না, তাদের জন্য এটি প্রযোজ্য কি না—কেউ জিজ্ঞেস করেনি।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি সপ্তাহে তিন দিন বসবে। বাকি চার দিন তারা মানসিক সুস্থতায় থাকবেন।